জয়ের জন্য শেষ দিনের শেষ সেশনে ৯ উইকেট হাতে নিয়ে ৪১ ওভারে ১৩১ রান দরকার ছিল সফরকারীদের। আগের চার দিনই আলোর স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই খেলা শেষ হয়ে যাওয়ায় দ্রুত রান তোলার গরজ ছিল অসিদের।
ব্যক্তিগত ৪ ও ৬ রানে জীবন পান শেন ওয়াটসন ও এড কাওয়ান। ক্যাচ ফেলেছেন ক্যারিবিয় কাপ্তান ড্যারেন স্যামি ও কার্লটন বাফ।পরে এই দুজনে গড়েছেন ৭৫ রানের জুটি।
দিনের দ্বিতীয় সেশনে কাওয়ানের ধীর ব্যাটিংই ফের অসিদের জয়ের সমীকরণ কিছুটা কঠিন করে তুলে।ওই সেশনে ২১ ওভারে ১ উইকেটে ৬১ রান করে অস্ট্রেলিয়া।
চা-বিরতির পর রানের গতি
বাড়াতে গিয়ে বদলি কাইরন পাওয়েলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে ওয়াটসন করেন ৫২
রান।তার ৫৭ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও একটি ছক্কা মার ছিল।
ওয়াটসন আউট হওয়ার পর দেওনারায়ন একে একে প্যাভেলিয়নে ফেরত পাঠান কাওয়ান (৩৪), রিকি পন্টিং (১৪) ও অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ককে (৬)।দলীয় ১৪০ রানে প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে শঙ্কায় পড়া অস্ট্রেলিয়াকে পথ দেখান তাদের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বিপদের বন্ধু মাইক হাসি ও অভিষিক্ত ম্যাথিও ওয়েড।
ষষ্ঠ উইকেটে ৩৭ রানের জুটির গড়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করে তুলেন তারা।১৮ রান করে ওয়েড কেমার রোচের বলে বোল্ড হয়ে গেলেও এক প্রান্ত আগলে থাকেন হাসি।২৬ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩২ রান করে হাসি যখন ফিরে যান তখন জয় থেকে সামান্য দূরে। হিলফেনহসকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সহজেই সারেন ম্যাচ সেরা রায়ান হ্যারিস।
৫৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দিওনারায়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার।
বুধবার ৫ উইকেটে ৭১ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।১১৪ রানে এগিয়ে থাকা স্বাগতিকরা দিনের প্রথম সেশনেই শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।
দিনের শুরুতেই দেওনারায়নকে (২১) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রায়ান হ্যারিস।সপ্তম উইকেটে স্যামির (১৪) সঙ্গে বাফের ৩১ রানের জুটি ধাক্কা সামলে স্বাগতিকদের ভালো অবস্থানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছিল।কিন্তু শেষ পর্যন্ত খুব বেশি দূর যেতে পারেনি ক্যারিবিয়রা।
No comments:
Post a Comment