প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
বল হাতে ৪ ওভারে ১৭ রানে নিয়েছেন তিন উইকেট। আর ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১০ বলে একটি ছয় ও একটি চারে ১৬ রান
মজার ব্যাপার হলো এই আসরে সাকিব খেললেই জিতেছে কেকেআর। প্রথম দুই ম্যাচ সাকিবকে ছাড়াই মাঠে নামে কেকেআর। ফলাফল হার। হতে পারে কাককলীয়, কিন্তু পরের দুই ম্যাচে সাকিবকে নেওয়ায় জয়ের ধারায় ফিরেছে কলকাতা।
আজ কলকাতার জয়ের খবরে আনন্দবাজার পত্রিকার শিরোনাম ‘বর্ষশেষে বাঙালির হাত ধরেই দুই পয়েন্ট’।
এ জয়ে কেকেআর এক ঝটকায় পয়েন্ট তালিকার ছয় থেকে চারে উঠেছে। কেকেআরের সামনে এখন আছে মুম্বাই, দিল্লি ও পুণে।
আনন্দবাজার লিখেছে, ‘এ জন্য যাবতীয় ধন্যবাদ প্রাপ্য বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। কী বোলিংয়ে, কী ব্যাটিংয়ে। টি-টোয়েন্টির ভরা বাজারে ১৩১ কোন বড় স্কোর নয়। কিন্তু নাইটদের টার্গেট আরও উর্ধ্বমূখী হতে পারত, যদি না মোক্ষম সময়ে সাকিবকে ডেকে নিতেন গম্ভীর। যেভাবে খেলছিলেন দ্রাবিড়। কে বলতে পারে, দেরি করলে কেকেআরকে ডুবতে হত না?’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইডেনে ম্যাচ জিততে গেলে টিমে স্পিনার বোঝাই করতে হবে। কলকাতা ময়দানে এপ্রিল-মে মাসের গরমে ম্যাচ জেতান স্পিনাররাই। এই ফর্মুলা চলছে বহু বছর ধরে। আইপিএল ব্যতিক্রম হবে কীভাবে? কিন্তু স্পিনের জাদু দেখাতেও চাই ক্রিকেটীয় স্কিল। যেখানে জোহান বোথা, অঙ্কিত চৌহানদের কয়েক মাইল পেছনে ফেলে দিলেন সাকিব। বল হাতে তিনটে উইকেট, যার মধ্যে আছেন দ্রাবিড। আছে পরপর দু’ওভারে দুটো উইকেট। ম্যাচের সেরা সাকিব বলছেন, ‘এটাই আমার আইপিএলে সেরা পারফরম্যান্স। এই প্রথম ম্যাচের সেরা হলাম। উইকেট পেলাম প্রথম বলেই।’
সাকিবের ব্যাটিংয়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে আনন্দবজারের ওই প্রতিবেদক লিখেছেন, ব্যাটিংয়ে যখন টেনশনের ছোট ছোট মুহূর্ত, সাকিবের ব্যাট থেকে ক্ষেপনাস্ত্রের ঢঙে বেরল গ্যালারি পার করা ছক্কা। বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে অধুনা বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার বলা হয়।
No comments:
Post a Comment