প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
‘এর আগে কাউকেই এই গল্প বলিনি। ১৬ বছর বয়সে আমি শিক্ষানবিশ কসাইয়ের কাজ নিয়েছিলাম। তিন সপ্তাহ কাজ করেই পালিয়েছি। বাকি জীবনের পুরোটাই এই কাজ করছি—এটা আমি ভাবতেই পারিনি’—বলেছেন এই ইতালিয়ান। সিদ্ধান্ত বদলে তাঁর বাবারও একটা ভূমিকা আছে, ‘বাবা চাচ্ছিলেন আমি পড়াশোনাই করি, কসাই না হই। হুট করে দোকানে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় বাবাকেই গিয়ে কসাইকে বলে আসতে হয়েছে আমি আর যাব না। ওই সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল তাঁকে।’
জীবন নিয়ে আক্ষেপ না করাটাই তাঁর দর্শন। যা ঘটে গেছে তা শত ভেবেও পাল্টানো যাবে না। ভেবে তাহলে লাভ কী? ভবিষ্যতের দিকেই তাকাতে ভালোবাসেন মাত্তেও। অবশ্য একটা জিনিস নিয়ে একটু আক্ষেপ তাঁর আছে। লন্ডনের ফ্ল্যাটটা বিক্রি করে দেওয়া। এত দিন পর শহরটায় এসে দেখেন, সেই ফ্ল্যাটের দাম বেড়ে আকাশ ছুঁয়েছে!
শেষ পর্যন্ত কসাই হননি। তবে তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণ তো আছে। প্রতিপক্ষ দলগুলোর উদ্দেশে ডি মাত্তেওর বার্তা, ‘ভালো করেই জানি ছুরিটা কীভাবে চালাতে হয়।’ ওয়েবসাইট।
No comments:
Post a Comment